Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.

সাম্প্রতিক সময়ে ভেষজ স্কিনকেয়ার পণ্যের ব্যাপারে আগ্রহ কেন বারছে? এইসব বিষয় নিয়ে লিখেছেন ডক্টর ফাহিমা জারা

Fahima Akter Saturday, July 24, 2021


বাজারে যে সব স্কিনকেয়ার পণ্য আছে সেগুলো কি আসলেও নিরাপদ? আমরা কি এই সব পন্যের উপর সম্পূর্ন নির্ভর করতে পারি? - ক্রেতাদের জিজ্ঞাসা করা এগুলো সাধারণ প্রশ্ন। তাছাড়া, আজকাল তারা এই সব পন্যের ব্যাপারে খুব সুচক্ষিত ও সতর্ক। ভেষজ স্কিনকেয়ারের প্রতি সাম্প্রতিকতম হাইপটিতে এটি স্পষ্ট।


ভেষজ স্কিনকেয়ার জৈবিক উৎপাদিত উপাদানগুলি থেকে আসে। অর্থাৎ এগুলো কীটনাশক, জৈব-জেনারেটেড জিন এবং সার থেকে মুক্ত। সংশ্লিষ্ট উপাদানগুলি সম্পূর্ণরূপে কেমিকেল মুক্ত থাকার কারণে জৈব উপাদানগুলো কম-বেশি গ্যারান্টিযুক্ত। যে কোনও ব্যক্তির ত্বকে স্বল্পমেয়াদী বা দীর্ঘমেয়াদী বিমূখ প্রভাব এতে নাই। ভেষজ উপাদানগুলির প্রথম পর্যায়ের লক্ষ্য ত্বকের সামগ্রিক অবস্থার ভালো করা। ত্বকের সমস্যাগুলি সংশোধন করার সময় সঠিক পরিমাণে উন্নতমানের প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ত্বককে পরিনত এবং সুন্দর করতে সাহায্য করে।


উদাহরণস্বরূপ

 ক্যাস্টর অয়েল : কেবল চুল ঘন করতেই যে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা হয় সেটা নয়।ক্যস্টর অয়েলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরির বৈশিষ্ঠ্য রয়েছে যা ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি অ্যান্টি - এজিং হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের বলিরেখা কমায়।


নারকেল তেল : নারকেল তেলে লিনোলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। যা ত্বককে ময়শ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এই তেলে লোরিক অ্যাসিড রয়েছে যা ত্বকের পুষ্টি যোগায়। 


লবঙ্গ তেল : ত্বকের বলিরেখা দূর করতে লবঙ্গ তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এটিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান রয়েছে। লবঙ্গ তেলের সাথে ভিটামিন ই অয়েল মিশিয়ে ব্যবহারের ফলে মুখের উজ্জ্বলতা অনেক বেড়ে যায়। 


বাদামের তেল : বাদামের তেল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই তেলে অ্যান্টি - ব্যাকটেরিয়ালের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এছাড়াও বাদামের তেলে ভিটামিন - এ পাওয়া যায়, যা ত্বকের ব্রন কমাতে সহায়তা করে। 


অ্যাভোকাডো তেল : অ্যাভোকাডো তেল ত্বকের স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক আভা ফিরিয়ে আনার জন্য রোদ পোড়া ও ট্যান মেরামত করার ক্ষেত্রে খুবই সুন্দর ভাবে কাজ করে।


ভেষজ পণ্য ব্যবহারের তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে এটার উন্নতি দেখা দিতে পারে। তবে,ত্বকের চক্রের উপর ভিত্তি করে এটি ব্যবহারের নিয়মিততা, উপাদানগুলি, ত্বকের শোষণ ক্ষমতা, সমস্যার তীব্রতার উপর এর পরিমান পরিবর্তিত হতে পারে।


ভেষজ পন্যসমূহ , রাসায়নিকমুক্ত, পরিবেশ বান্ধব,সবুজ যা খুবই তারাতাড়ি যে কাউকে আক্রিষ্ঠ করতে ও অভিভূত করতে পারে। যদিও তারা সবকিছুই প্রকৃতি থেকে আসে তবে এগুলি একেবারে একই রকম হয় না।


মূল উপাদানটি হলো উদ্ভিদ-ভিত্তিক এইসব প্রাকৃতিক পণ্যগুলিতে কোনও রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে না। এছাড়াও, প্রাকৃতিক থেকে অনেক বিষাক্ত টক্সিন মানুষের দেহে ঢুকে থাকে যেটা বের করা অনেক প্রয়োজন। তিন ধরনের টক্সিন শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। সেগুলো থেকে কিভাবে দূরে থাকা যায় সেটা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।


 ১/ মাইকোটক্সিন; এর মধ্যে রয়েছে মেরিন বায়োটক্সিন ও ওকরাটক্সিনের মতো মাইকোটক্সিন এই জাতীয় খাবার। দীর্ঘ দিনের ফলে এই টক্সিনের প্রভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। এটা এড়িয়ে চলতে হলে ; ভুট্টা, গম, চিনি, চিজ, কফি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সাথে অ্যান্টিবায়োটিক কম খেতে হবে। কেননা অ্যান্টিবায়োটিক মাইকোটক্সিন সংক্রমনের ঝুঁকি বাড়ায়। 


২/ পারসিসট্যান্ট অরগ্যানিক পলিউট্যান্ট বা পিওপি; এটি পরিবেশ থেকে সরাসরি মানব শরীরে পৌছায়। ডাইঅক্সিন ও পলিক্লোরিনেটেড বাইফেনাইস পিওপির উদাহরণ। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পদ্ধতি ও বর্জ্য থেকে পরিবেশে পিওপি ছড়ায়।এই ডাইঅক্সিন খুবই বিষাক্ত। মানুষের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়ার মতো ক্ষতি করতে পারে ডাইঅক্সিন। ক্যান্সারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়াতে পারে। যার কারণে এটি যদি একবার শরীরে ঢোকে তাহলে সহজেই ফ্যাট টিস্যুতে শোষিত হয় ও অনেক দিন পর্যন্ত শরীরে থেকে যায়। 

মাংস, মাছ, দুধ জাতীয় খাবার থেকে এটি শরীরে প্রবেশ করে। ফ্যাটি মিট, নিম্নমানের দুগ্ধজাতীয় খাবার এবং সামুদ্রিক মাছ কম খেলে ডাইঅক্সিনের পরিমান শরীর থেকে কমানো সম্ভব। 


৩/ ভারী ধাতু ; পরিবেশে উপসস্থিত থাকা ৩৫ টি উপাদান থেকেও শরীরে টক্সিন পৌছাতে পারে। এগুলো মধ্যে রয়েছে পারদ, লেড, আর্সেনিক। এই ধরনের ধাতুর প্রভাবে স্নায়ুতন্ত্রের এবং কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত পানি, মাটি ও বায়ু দূষণ থেকেই এই সব ধাতু শরীরে পৌছায়। এই ধাতু থেকে এড়িয়ে চলতে হলে ডায়েটের দিকে খেয়াল রেখে শরীরকে টক্সিন মুক্ত রাখতে হবে। আনারস,লেবু,ব্রোকলি, সবুজ শাক-সবজি, গ্রিন টি নিয়মিত খেতে হবে।


'সোপেটার স্টার বাংলাদেশ' এবং 'সারিনস স্টোর' সুপরিচিত দুইটা ব্র্যান্ড যারা বাংলাদেশী মেয়েদের ত্বকের সাধারণ সমস্যাগুলি লক্ষ্য করে বিভিন্ন ধরণের ভেষজ পণ্য সরবরাহ করে । যেমনটা, সোপারস্টার হাতেতৈরি সাবান, মুখ এবং শরীরের স্ক্রাবস, ফেসিয়াল অয়েল ইত্যাদি সরবরাহ করে থাকে।


Share

You May Like

Cloud categories

bradycardia spondylitis spasm infected wounds nervousness herpes simplex scabies calcium deficiency pancreatic cancer bladder iron deficiency anemia ascites back pain reduces wrinkles peritonitis cornea polycystic ovarian disease neuropathy bipolar disorder vitamin-b diarrhea sunburn ebola virus vaginal itching bites eczema dandruff vitamin a menstrual cramps uti infertility bacterial infections malnutrition meningitis urinary tract infection conjunctivitis

নাভির মধ্যে ৬৭ রকম ব্যাক্টিরিয়ার উপস্থিতি টের পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা

অনেকেই আছেন যারা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নাভিতে জিভ দিয়ে থাকেন । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরে ...

0 Like

Never Take Medicine Without Consulting The Doctor.

Medicines have become a part of our life because every one of us needs them at least once ...

1 Like

মাথায় উকুন হলে কি করবেন?

যার একবার হয়েছে সেই জানে এর কষ্ট। তাই তো সবাই বেঁচে বেঁচে থাকে উকুনের থেকে। কিন্তু তবু কি ...

0 Like

কিভাবে ঘরে বসেই অবাঞ্ছিত লোম দূর করবেন

এই অবাঞ্ছিত লোমের কারণে অনেককে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। বিভিন্ন বিউটি টিট্রমেন ...

2 Like

পানির সঙ্গে অল্প পরিমাণে মধু মিশিয়ে খেলে যেসব উপকার পাবেন

পানির সঙ্গে প্রতিদিন অন্তত একবার করে মধু মিশিয়ে পান করতে পারলে তা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ...

0 Like

হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড কি সত্যি কানের মল দুর করতে পারে?

বাজারে যেইসব কানের ড্রপ পাউয়া যায় ওইগুলার একটা কমন উপাদান হচ্ছে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। কিন ...

2 Like

কিভাবে বয়সের ছাপ বা বলিরেখা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।

বয়সের ছাপ একটা স্বাভাবিক ব্যপার। বয়স হলে এটা হবেই। তবে গবেষণায় দেখা গেছে  ভাত বয়সের ছ ...

1 Like

যে অভ্যাসগুলি কিডনীর ক্ষতি করে

১) মূত্রাশয় সময়মত খালি না করা২) পানি পান না করা৩) লবন বেশি খাওয়া৪) সাধারন সংক্রমনগুলি ঠিকভ ...

1 Like