দিন দিন ডিপ্রেশন বেড়ে যাচ্ছে কি
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা ডিপ্রেশন। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, এমনকী ন ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Admin Post
Thursday, August 05, 2021

করোনাভাইরাস মূলত কোভিড-১৯ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর অন্যান্য সকল দেশেই এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে ৷ নিজেদের সাবধানতা এবং সর্তকতার মাধ্যমেই এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এই ভাইরাসের লক্ষণ বলতে গেলে - জ্বর, ঠান্ডা, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যাথা ইত্যাদি। অনেকের শরীরে এই ভাইরাস মারাত্মক কোন প্রভাব ফেলে না। তবে অনেক বয়স্ক এবং কিছু মানুষ আছে যারা আগে থেকেই অনেক অসুস্থ তারা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের শরীরে মারাত্মক প্রভাব পরে।
করোনাভাইরাস থেকে দূরে থাকার জন্য কিছু কিছু দেশ করোনার ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করেছে। কিন্তু সবার শরীরে এই টিকা কতটুকু নিরাপদ সেটা আমাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
করোনার টিকা দেওয়া আমাদের জন্য কতটা নিরাপদ এটা নিয়ে শুধু আমাদের দেশের মানুষের মনেই প্রশ্ন জাগছে না। ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশেও অনেক মানুষের মনেও একই প্রশ্ন জাগছে। এসব দেশের অধিকাংশ মানুষেররাই টিকা দিতে মন থেকে জোর পাচ্ছেন না।
বিশ্বের অনেক বড় বড় ভাইরোলজিস্ট ও বিজ্ঞানিরা বলেছেন যে, টিকা নেওয়ার কারনে অনেক মানুষেরই এলার্জি জনিত সমস্যা থাকার কারণে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে এটা স্বাস্থ্যর উপর কোন হানিকার প্রভাব আনবে না বলে আশা করা যায়।
সমস্ত কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ডব্লিউএইচও এবং জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে বৈধতা পাওয়ার আগে, কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনগুলিকে ক্লিনিকাল ট্রায়ালে কঠোর পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে প্রমাণ হয় যে তারা নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতারক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে মান সম্মত। এর পরেও WHO এবং জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনগুলির ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করছে।
বাংলাদেশের মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে করোনার টিকা দেওয়ার ফলে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিবে কি না! তবে ভারতের অনেক মানুষেরই টিকা দেওয়ার পর কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। যেমন- জ্বর, বমি, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি। এমনকি একজন মারাও গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে অনেক চিকিৎসক বলে থাকেন যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কম এবং সেই সাথে শরীরে প্রচুর এলার্জি জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের টিকা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
যেকোনো ভ্যাকসিনের মতো, কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনো হালকা ও স্বল্পমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। যেমন - হালকা জ্বর, ইনজেকশনের স্থানে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, ঠাণ্ডা, ডায়রিয়া বা লালভাব ।ভ্যাকসিনগুলির বেশিরভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হালকা হয় এবং কিছু দিনের মধ্যে নিজেই চলে যায়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এইসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিশ্রাম, প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার খেলে চলে যায় । যদি কয়েক দিনেও এইসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চলে না যায় তবে অতি দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে । যদি শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বুকে ব্যথা, বিভ্রান্তি, কথা বলা বা গতিশীলতা হ্রাস পায়, অবিলম্বে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে অবশ্যই যোগাযোগ করতে হবে ।
গুরুতর এলার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে কভিড-১৯ টিকা এড়িয়ে চলাই ভালো । গুরুতর এলার্জি - যেমন অ্যানাফিল্যাক্সিস সহ আরও কিছু রোগের ক্ষেত্রে এই টিকার কিছু বিরল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন হতে পারে।
এলার্জি নানা ধরনের হয়। কারো আছে শুধু চুলকানি, কারো খাবারে, কারো আবার নানা রকম অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করলে। তবে, বিশ্বের বেশিরভাগ চিকিৎসকরাই জানিয়েছেন যে, করোনার টিকাতে এলার্জি জনিত সমস্যা হউয়ার কোন রকম সম্ভাবনা নেই। তবে কোন কারণে যদি কারো প্রথম ডোজ দেওয়ার পরে বেশি এলার্জি জনিত সমস্যা দেখা দেয় তাহলে, তাদের দ্বিতীয় ডোজ এড়িয়ে চলাই ভালো।
WHO সুপারিশ করে যে, টিকা গ্রহণের পুর্বে টিকা গ্রহীতার কোন প্রকার এলার্জি জনিত রোগ আছে কিনা এই বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে অবশ্যই জানাতে হবে । যদি এই ধরনের কোন রোগ থেকে থাকে তবে তাদের আগে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে । জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ডব্লিউএইচও সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন ব্যবহার ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যাতে কোন প্রকার অপ্রত্যাশিত ও গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় জুরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।
কোনও টিকাই 100% সুরক্ষা দিতে সক্ষম নয়। একটি ভ্যাকসিনের নির্দিষ্ট গুনগত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও, বেশ কয়েকটি কারণ যেমন একজন ব্যক্তির বয়স, তার স্বাস্থ্যের অবস্থা, পূর্ববর্তী COVID-19 রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন কিনা ইত্যাদি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার উপর প্রভাব ফেলে। কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন নেয়ার পরেও কিছু মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছেন এর প্রমার রয়েছে । তাই আমাদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে যা এর বিস্তারে রোধ করবে যেমন- শারীরিক দূরত্ব, মাস্ক এবং হাত ধোয়া।
টিকা দেওয়ার পর প্রথম 14 দিনে টিকা গ্রহীতার সুরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য ভাবে তৈরি হয় না এটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার দুই সপ্তাহ পরে সাধারণত সুরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি হয় বলে মনে করা হয়। সর্বোচ্চ মাত্রার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনের জন্য উভয় ডোজ টিকা গ্রহণ করতে হবে ।
কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত কি না সে বিষয়ে প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ দিতে পারেন। যদি কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনের যে কোনো উপাদানের প্রতি মারাত্মক অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হয় এমন ব্যক্তিদের সাধারণত কোভিড -১৯ টিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত। যাতে সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব এড়ানো যায়।
গর্ভকালীন সময় মহিলাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়। এই সময় মা যদি করোনায় আক্রন্ত হয় তাহলে বাচ্চার জন্য সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে ৷ অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে গর্ভবতী মায়েরা টিকা নিতে পারবেন এতে কোন ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই। তাদের অবশ্যই টিকা দেওয়া উচিত। কেননা বিশ্বের অন্যান্য দেশেও গর্ভবতী মায়েদের করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
WHO র বিশেষজ্ঞদের মতে গর্ভবতী মহিলা, যারা গর্ভবতী হওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের টিকা দিতে কোন বাধা নাই এমনকি টিকা দেওয়ার পর বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করারো কোন প্রয়োজন নাই।
মাসিক হচ্ছে একধরনের জটিল প্রক্রিয়া এর পরেও মহিলারা তাদের মাসিক চক্রের যে কোন সময়ে ভ্যাকসিন নিতে পারেন। এতে কোন প্রকার সমস্যার মুখে কাউকে পড়তে হয়েছে এর কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নাই।
কোভিড-১৯ যেহেতু খুব দ্রুত বিশ্বের সব দেশেই জড়িয়ে পরেছে তাই সবার টিকা নেওয়া অনেক জরুরি হয়ে গেছে। এতে করে মানুষ খুব সহজেই চলাফেরা করতে পারবে এবং ভাইরাস নিয়ে মানুষের মনে যে ভয় কাজ করে সেটাও দূর করা সম্ভব হবে। আর প্রতিটি মানুষ তার নিজেকেই নিজের সর্তক করে রাখতে হবে। সবারই জেনে রাখা প্রয়োজন মাস্কই হচ্ছে বড় ভ্যাকসিন। সেজন্য কোন কিছু অবহেলা নয়, সবসময় প্রতিটি মানুষেরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত।
SHARE THIS
Share
contraception muscle aches obesity tension bacterial infections plaque sunburn macular degeneration back pain plaque psoriasis hypothyroidism dry mouth conjunctivitis herpes simplex fatigue bone disinfectant cirrhosis hepatic encephalopathy colds acute pain healthy skin spondylitis carcinomas coronary artery allergic rhinitis piles hair loss flu indigestion lichen gastric sperm production vitamin-b etc. sleep disorder
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা ডিপ্রেশন। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, এমনকী ন ...
1 Like
স্বাভাবিক ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ণ হলে মা ও শিশুর সুস্থতার স্বার্থে সিজার পদ্ধতিতে ডেলিভারির প্ ...
2 Like
অ্যালকোহল এমন একটা পানীয় যা দেখলেই পান করতে মন চায়। আগের দিনে অ্যালকোহল জলের বিকল্প হিসেব ...
2 Like
জ্বর কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। অনেক জ্বরেই কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। জ্বর হলে ...
1 Like
সহবাসের সঠিক নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে আর স্বামী ঠিক তার উপরি ভাবে থেকে সহবাস করবে। মহান ...
1 Like
মাসিকের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন থেকে ...
1 Like
পেটের চর্বি কি আপনার ঘুম হারার করে দিয়েছে? আজকাল ছোট বর অনেকেই এই সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু ...
1 Like
গত পর্বে লিখা হয়েছিল কিভাবে ক্রাঞ্চেস (Crunches) করবেন। না পরে থাকলে নিচের লিঙ্ক থেকে দেখে ...
1 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
0