নাভির মধ্যে ৬৭ রকম ব্যাক্টিরিয়ার উপস্থিতি টের পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা
অনেকেই আছেন যারা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নাভিতে জিভ দিয়ে থাকেন । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরে ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Fahima Akter
Wednesday, August 25, 2021

ব্রণ নিয়ে আমাদের দেশের বেশির ভাগ মেয়েরাই সমস্যার মধ্যে রয়েছে। ছেলেদের তুলনায় মেয়েরাই ব্রণের সমস্যায় বেশি ভুগে থাকে। বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই রোগ বেশি দেখা দেয়। ১৩-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বেশি ব্রণ দেখা দেয়। ২০ বছর বয়সের পরে থেকে ধীরে ধীরে ব্রণ কমতে শুরু করে। অনেক মানুষের কাছে ব্রণ- ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস, পিম্লল ইত্যাদি নামেও পরিচিত। সাম্প্রতিক এক তথ্য অনুযায়ী দেখা গেছে , ১১ থেকে ৩০ বছর বয়সী প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই অন্তত একবার হলেও এই ব্রণের সমস্যায় ভোগে । মানুষের ত্বকে ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে যা ত্বকের নীচে থাকা তেল গ্রন্থিগুলির সাথে সংযুক্ত থাকে। এই গ্রন্থিগুলি একটি তৈলাক্ত পদার্থ। যখন এই কোষ আটকে যায়, এটি ব্রণ এর দিকে পরিচালিত হয়। বয়ঃসন্ধিকালে বা হরমোন পরিবর্তনের সময় ব্রণ বেশি হওয়ার কারণ হল, এই সময় ত্বকে অতিরিক্ত তেলের নিঃসরণ হয়।
ব্রণ হওয়ার মূল কারণ হলো হরমোন ক্ষরণের তারতম্য। হরমোনের তারতম্য ছাড়া আরো কিছু কিছু কারণে ব্রণ উঠতে পারে। যেমন-
১. ত্বকের অযত্ন : সঠিকভাবে ত্বকের যত্ন না নিলে ব্রণ উঠার সম্ভবনা থাকে। ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ত্বক নিয়ে বেশি যত্নশীল হয়ে থাকে। তবুও গবেষণায় দেখা গেছে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ত্বকে ব্রণ বেশি ওঠে। ত্বকে সঠিক ভাবে যত্ন নিতে হবে। এমন অনেক ক্রিম, ফেশওয়াশ আছে যেগুলো ত্বকে ব্যবহারের কারণে ব্রণ বেড়ে যায় সেগুলো অবশ্যই পরিহার করতে হবে।
২. ঘুম কম হওয়া : পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের অভাবে ব্রণ উঠে। প্রতিটি মানুষের উচিত দৈনিক ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো। কিন্তু অনেক মানুষ রয়েছে যাদের প্রচুর রাত জাগার অভ্যাস। এই রাত জাগার ফলে ত্বকে ব্রণ উঠার সম্ভাবনা থাকে।
৩. তৈলাক্ত খাবার খাওয়া : তৈলাক্ত খাবার স্বাস্থ্যর জন্য অনেক ক্ষতিকর । এই খাবার যত কম খাওয়া যায় শরীরের জন্য ততোই ভালো। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার ফলে ত্বকে ব্রণ বেড়ে যায়।
৪. দুশ্চিন্তা করা : ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে দুশ্চিন্তা করা। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলেও ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়।
৫. জিনগত : যদি বাবা-মা কারও ছোটবেলায় ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে সন্তানের ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৬. হরমোন: বয়ঃসন্ধির সময় ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে অ্যান্ড্রোজেন নামক সেক্স হরমোন বৃদ্ধি পায়। এই হরমোনের ফলে ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়।
৭. ডায়েট: অনেক মানুষ আছে যারা অতিরিক্ত ডায়েটের ফলে বিভিন্ন রকম পুষ্টিহীনতায় ভোগে। সঠিক পুষ্টির অভাবের কারণেও ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, দুগ্ধজাত পণ্য, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার এবং চকলেট ব্রণের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দেয় ।
৮. স্ট্রেস : গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রেস ব্রণের জন্য খুবই খারাপ।
৯. ঔষধ : অনেক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ফলে ব্রণ অনেক বেড়ে যায়। যেমন- স্টেরয়েড এবং অ্যান্টিকনভালসেন্ট ঔষধ।
১০. ত্বকে চাপ: হেলমেট, শার্ট এর কলার, ফোন ইত্যাদির মতো জিনিস ত্বকে চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং ব্রণ হতে পারে।
ব্রণের কিছু লক্ষণ হলো :
১. হোয়াইটহেডস - হোয়াইটহেডস হচ্ছে ত্বকের বন্ধ প্লাগযুক্ত ছিদ্র।
২. ব্ল্যাকহেডস - এগুলি খোলা প্লাগযুক্ত ছিদ্র যা বাতাসের সংস্পর্শের আসার পরে ত্বক বাদামী রঙের হয়ে যায়।
ব্রণ প্রতিরোধ করতে হলে খাদ্যের তালিকার দিকে নজর দিতে হবে। চিনিযুক্ত খাবার খুবই কম খেতে হবে। সেই সাথে প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে এবং কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার অনেক কম খেতে হবে। পানি হলো সব রোগের ঔষধ। প্রতিদিন কমপক্ষে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। পানি কম পান করার জন্য বেশির ভাগ মানুষই ব্রণের সমস্যায় ভোগে থাকেন। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। তৈলাক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত তেল যুক্ত খাবার ব্রণ বাড়িয়ে দেয়। হাতের নখ দিয়ে ব্রণে স্পর্শ করা যাবে না। হাত দিয়ে ব্রণে স্পর্শ করার ফলে সেই স্থানে কালো দাগ হয়ে যায়। মুখ সবসময় পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। অবশ্যই জীবানুমুক্ত স্থানে থাকতে হবে।
এছাড়াও একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ব্রণের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারেন। ব্রণের ঔষধের মধ্যে রয়েছে রেটিনয়েড (ক্রিম, জেল, লোশন), অ্যান্টিবায়োটিক, ড্যাপসোন জেল ইত্যাদি। যা ত্বকের তেল উৎপাদন কমায়, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। সেইসাথে ঔষধ গুলি ত্বকের কোষের গতি বাড়িয়ে দিতে পারে। যার কারণে ব্রণ উঠার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়।
হালকা ব্রণ - হালকা ব্রণ হলে সহজেই জেল, সাবান, ক্রিম, প্যাড এবং লোশনের মতো কাউন্টার ঔষধের মাধ্যমেই ভালো হয়ে যায়। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অ্যালকোহল-ভিত্তিক জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ এটি ত্বককে শুষ্ক করে।
মাঝারি থেকে গুরুতর ব্রণ - যদি ব্রণ গুরুতর হয়, তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে অবশ্যই পরামর্শ করতে হবে। সেইক্ষেত্রে চিকিৎসক ত্বকে ব্যবহারের জন্য কিছু কার্জকরি জেল, ক্রিম বা সাময়িক অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারে।
যদি ব্রণ মারাত্মকভাবে ফুলে যায় তবে এটি ফেটে যেতে পারে। ফেটে যাওয়ার পর অই স্থানে দাগ হয়ে যায়। তখন একটি পাতলা কর্টিকোস্টেরয়েড ইনজেকশন দ্বারা এটার চিকিৎসা করা হয়। ব্রণের চিকিৎসায় অবশ্যই একজন ভালো চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ সেবন করতে হবে।
SHARE THIS
Share
dry tic disorders rubella rhinitis nutritional supplement osteoporosis discomfort abortion genital warts sleep disorder malaria gastroesophageal reflux disease (gerd) weight loss ear menstrual cramps angina hiv sneezing hives kidney stones skin grafts typhoid fever duodenal ulcer hiv infection vaginal itching salmonellosis nervousness snake venom cough myalgia sle bradycardia bacterial infections contact dermatitis vitamin c migraine
অনেকেই আছেন যারা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নাভিতে জিভ দিয়ে থাকেন । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরে ...
0 Like
যার একবার হয়েছে সেই জানে এর কষ্ট। তাই তো সবাই বেঁচে বেঁচে থাকে উকুনের থেকে। কিন্তু তবু কি ...
0 Like
এই অবাঞ্ছিত লোমের কারণে অনেককে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। বিভিন্ন বিউটি টিট্রমেন ...
2 Like
পানির সঙ্গে প্রতিদিন অন্তত একবার করে মধু মিশিয়ে পান করতে পারলে তা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ...
0 Like
বাজারে যেইসব কানের ড্রপ পাউয়া যায় ওইগুলার একটা কমন উপাদান হচ্ছে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। কিন ...
2 Like
বয়সের ছাপ একটা স্বাভাবিক ব্যপার। বয়স হলে এটা হবেই। তবে গবেষণায় দেখা গেছে ভাত বয়সের ছ ...
1 Like
১) মূত্রাশয় সময়মত খালি না করা২) পানি পান না করা৩) লবন বেশি খাওয়া৪) সাধারন সংক্রমনগুলি ঠিকভ ...
1 Like
দৈনিক ১টি আপেল খান। কোন ডাক্তার লাগবে না! দৈনিক ৫টি বাদা ...
0 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
0