দিন দিন ডিপ্রেশন বেড়ে যাচ্ছে কি
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা ডিপ্রেশন। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, এমনকী ন ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Fahima Akter
Wednesday, August 11, 2021

আজকাল বেশিরভাগ মানুষই মাথা ব্যাথা রোগে ভোগে থাকেন। কোন কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে মাথা ব্যাথা শুরু হয়। অনেক বেশি যন্ত্রণা দিয়ে থাকে এই মাথা ব্যাথা। অনেক মানুষ আছে যারা আবার মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগে থাকেন। অতিরিক্ত ব্যাথা করলে অনেক মানুষ চিকিৎসকের কাছে যায়, আবার অনেকে ব্যাথার ঔষধ খেয়ে থাকে। ছোট,বড় সবারই এখন কম বেশি মাথা ব্যাথা হয়ে থাকে।
১. আদা এবং আদা চা : আদাতে রয়েছে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সিনথেসিস যেটা মাথা ব্যাথার ঔষধ হিসেবে কাজ করে। মাথা ব্যাথার ঔষধ হিসেবে কাজ করতে আদার উপকারীতা বলে শেষ করা যাবে না। মাথা ব্যাথার সময় আদা খেলে ব্যাথা খুব দ্রুত ভালো হয়ে যায়। তাছাড়াও, ফুটন্ত গরম পানিতে আদা ছেঁচে, একটু মধু দিয়ে আদা চা খেলেও ব্যাথা অনেকটা কমে যায়।
২. মিষ্টি কুমড়ার বিচি : মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট। মিষ্টি কুমড়ার বিচি দ্রুত মাথা ব্যাথা সারতে সহায়তা করে থাকে।
৩. আইসব্যাগ : অনেক মানুষ আছে যাদের মাথার তালু প্রায়ই প্রচন্ড গরম হয়ে যায়। যার ফলে মাথা ব্যাথা করতে শুরু করে৷ তারা আইসব্যাগে কিছু বরফ / ঠান্ডা পানি ভরে মাথার তালুতে কিছু ক্ষন ধরে রাখলে মাথা ব্যাথা অনেকটা কমে যায়। তবে, যাদের অল্পতেই ঠান্ডা লেগে যায়, তাদের জন্য এই পদ্ধতি অবশ্যই এড়িয়ে চলাই ভালো।
৪. মনোযোগ দিয়ে গান শোনা : কোন এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, মনোযোগ দিয়ে গান শুনলে মাথা ব্যাথা ১৭% কমে যায়। কারণ মাথা ব্যাথার সময় গান শুনলে মনোযোগ মাথা ব্যাথা থেকে সরে গানের দিকে চলে যায়, যার ফলে ব্যাথা অনেকটা কমে যায়।
৫. কাঠবাদাম : কাঠবাদামে রয়েছে স্যালিসিন যেটা মাথা ব্যাথা অনেক দ্রুত কমিয়ে দেয়। পরিবেশের নানা রকম আবহাওয়া, মানসিক চাপ এসবের কারণেও মাথা ব্যাথা হয়ে থাকে। এই সময় কয়েকটি কাঠবাদাম খেলে অনেক তারাতাড়ি ব্যাথা কমে যায়।
মাথাব্যথা এমন একটি বিষয় যেটা প্রতিটি মানুষই জীবনের কোন না কোন সময়ে অনুভব করেছে। কর্মক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে কাজের চাপ থাকলে মাথায় ব্যাথা অনুভব করা স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু মানুষ প্রতিদিন এর সাথে লড়াই করে। ক্রমাগত মাথাব্যাথা কাজকে ব্যাহত করতে পারে। সেইসাথে মেজাজের তীব্র পরিবর্তন ঘটতে পারে। এটি একটি অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্যের অবস্থার লক্ষণ বা জীবনধারা সমস্যার চিত্রও বলা যেতে পারে। ব্যাথার সম্ভাবনা, ফ্রিকোয়েন্সি, তীব্রতা এবং তীব্রতা কমাতে মাথাব্যাথার স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুম থেকে ওঠার মুহূর্ত থেকে মানুষ যে খাবার খায় সেটার জন্যও মাথাব্যাথা হতে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, চা, অ্যালকোহল, নোনতা স্ন্যাকস এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারও মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেজন্য খেয়াল রাখতে হবে কোন খাবার গুলো মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তারপর দিনের বেলায় সেই জাতীয় খাবার গ্রহণ কম করার চেষ্টা করতে হবে । এছাড়া, খাবার এড়িয়ে যাওয়ার ফলেও মাথার ভেতর ব্যাথা হতে পারে। দিনে সুষম খাবার খেতে হবে, সেইসাথে ফল, শাকসবজি এবং বীজ জাতীয় শস্য নিয়মিত খাবারের অংশ হওয়া উচিত।
দুর্বল ভঙ্গি অনেক সময় মানুষকে মাথা ব্যাথার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। যেমন -অলস ভঙ্গিতে বসে থাকা, ঘাড় এবং কাঁধে চাপ সৃষ্টি করলে, অতিরিক্ত টেনশন করলে মাথা ব্যাথা হতে পারে। যদি বসার কাজ করতে হয়ে, তাহলে চেয়ার এবং টেবিলে সঠিকভাবে বসে কাজ করতে হবে বিছানায় বসে নয়। এছাড়াও, মেরুদণ্ড খাড়া এবং কাঁধের স্তরে সোজা রাখতে হবে । কাজের মাঝ খানে প্রতি ঘণ্টা পর পর বিরতি নিতে হবে।
মানসিক চাপ টেনশন এবং মাইগ্রেনের মাথা ব্যাথার প্রধান প্রতিষেধক ধ্যান, শ্বাস -প্রশ্বাসের ব্যায়াম, যোগব্যায়াম অথবা দিনের মাঝখানে সামান্য হাঁটাচলা মানুষের মনকে শান্ত করে এবং স্ট্রেস হরমোনের নিয়ন্ত্রণের মাত্রা কমাতে পারে। যদি কেউ স্ট্রেস লেভেল ম্যানেজ করতে হিমশিম খায় তাহলে একজন চিকিৎসকের এর সাথে পরামর্শ করতে হবে।
ধূমপানের কোনো স্বাস্থ্যগত সুবিধা নেই। এটি মানুষের ফুসফুসের ক্ষতি করে। অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও হ্রাস করে। এখন এই তালিকায় আরেকটি সংযোজন আছে- মাথাব্যাথা। ধূমপান এবং সেকেন্ড হ্যান্ড ধূমপান, দুটোই মাথা ব্যাথায় অবদান রাখতে পারে। যদি কোন ব্যক্তি দিনে অনেক বেশি সিগারেট খায় বা খালি পেটে খেয়ে থাকে তখন মাথা ব্যাথা তীব্র হয়। নিকোটিনের উপস্থিতির কারণে এটি ঘটে, যা রক্তনালীগুলিকে সংকুচিত করে এবং মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহকে হ্রাস করে থাকে।
এছাড়াও পানি কম পান করাও মাথা ব্যাথার অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত। দিনের বেলা বেশিরভাগ সময়ই মানুষ পানি কম পান করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলেও মাথা ব্যাথা অনেকটা কমানো সম্ভব। এছাড়াও কিছু লবঙ্গ হালকা গরম করে গামছা / তোয়ালের ভিতর পেচিয়ে ঘ্রাণ নিলেও মাথা ব্যাথা কিছুটা কমে যায়।
আপেলের মধ্যে যদি একটু লবণ দিয়ে খাওয়া যায় সেটাও অনেকটা ব্যাথা কমিয়ে দেয়। এছাড়াও লেবুর রসে হালকা একটু লবণ দিয়ে খেলেও ভালো লাগে। আর মাথা ব্যাথার সময় পারলে হাসিমুখে থাকতে হবে। কেননা হাসিমুখে থাকলে রোগ জীবাণু এমনেতেই কম হয়ে থাকে।
SHARE THIS
Share
zinc flatulence rashes jaundice apathy erectile dysfunction hiv / aids sinusitis iron deficiency polycystic ovarian disease fatigue injuries scabies meningitis ear plaque vitamin a genital warts severe diarrhea helicobacter pylori infection sunburn atherosclerosis irritable bowel syndrome vitamin a deficiency gum swelling pyelonephritis epilepsy gas diphtheria migraine headache bones and joints sex prevention of tuberculosis genital herpes strains psoriatic arthritis
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা ডিপ্রেশন। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, এমনকী ন ...
1 Like
স্বাভাবিক ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ণ হলে মা ও শিশুর সুস্থতার স্বার্থে সিজার পদ্ধতিতে ডেলিভারির প্ ...
2 Like
অ্যালকোহল এমন একটা পানীয় যা দেখলেই পান করতে মন চায়। আগের দিনে অ্যালকোহল জলের বিকল্প হিসেব ...
2 Like
পেটের চর্বি কি আপনার ঘুম হারার করে দিয়েছে? আজকাল ছোট বর অনেকেই এই সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু ...
1 Like
গত পর্বে লিখা হয়েছিল কিভাবে ক্রাঞ্চেস (Crunches) করবেন। না পরে থাকলে নিচের লিঙ্ক থেকে দেখে ...
1 Like
পানির সঙ্গে প্রতিদিন অন্তত একবার করে মধু মিশিয়ে পান করতে পারলে তা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ...
0 Like
কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন, আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপা ...
0 Like
১) মূত্রাশয় সময়মত খালি না করা২) পানি পান না করা৩) লবন বেশি খাওয়া৪) সাধারন সংক্রমনগুলি ঠিকভ ...
1 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
0