দিন দিন ডিপ্রেশন বেড়ে যাচ্ছে কি
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা ডিপ্রেশন। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, এমনকী ন ...
Fahima Akter
Saturday, July 31, 2021

মাসিক কোন রোগ নয়। প্রতিটা নারীর জীবন চক্রের একটা অংশ। বাংলাদেশের প্রায় মহিলারা মাসিক সম্পর্কে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সারা দেশে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ঋতুস্রাব অথবা (মাসিক) মহিলা রয়েছে। তাই, প্রতিটা মেয়ে যাতে মাসিক বিষয়টাকে আতঙ্ক হিসেবে না দেখে স্বাভাবিক ভাবে দেখতে শিখে এবং সচেতন হয় সেই জন্য পরিবারের অবদান অনেক বেশি জরুরি। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মহিলারই পিরিয়ড অথবা(মাসিক) সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব রয়েছে।
মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে তাকে ( মাসিক) বা ঋতুস্রাব বলে।
মাসিকের সময় মেয়েদের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া মাসিক হওয়ার আগে, পরে, চলাকালীন সময়ে এবং মাসিক বন্ধ হওয়ার পরও অনেকের মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন, কোমড় ব্যাথা, পা ব্যাথা, বমিভাব, ওজন বাড়া, মেজাজ খারাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, বার বার টয়লেটে যাওয়া, ত্বকের সমস্যা - এই রকম নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে মূলত শরীরের হরমোনজনিত কারণে।
দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময় যদি বার বার পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলে। অনিয়মিত মাসিক দুই ভাবে হতে পারে। যেমন:
১.ঘন ঘন
২.দেরিতে
মাসিকের চক্র হিসাব করতে হলে যা করতে হবে;
এক মাসিকের প্রথম দিন থেকে আরেক মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত যে সময়টা সেটাই হলো এক মাসিক চক্র। সাধারণত ২৮ দিন পর পর মাসিক হয়। যদিও ২১ দিন থেকে ৩৫ দিন অন্তর স্বাভাবিকতার তারতম্য হতে পারে। এক বার মাসিক হলে সাধারণত ২-৮ দিন থাকে এবং এক মাসিকের মোট ৫-৮০ মিলি পর্যন্ত রক্ত যেতে পারে। এই তিনটার যেকোনো একটার অনিয়ম মানে অনিয়মিত মাসিক।
বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। যেমন ;
১.সাবালিকা হউয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।
২.মেনোপজ হউয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।
৩.কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় পাশ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য।
৪.বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য।
৫.খুব বেশি ব্যায়াম করলে।
৬.অতিরিক্ত টেনশন করলে।
৭.হঠাৎ ওজন খুব বেড়ে বা কমে গেলে।
৮.হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।
৯.থাইরয়েড রোগীদের।
১০.স্ত্রী রোগ যেমন - জরায়ুর পলিপ, জরায়ুর প্রদাহ রোগ হলে।
মাসিক নিয়মিত হওয়া অনেক জরুরি। কারণ- অনিয়মিত মাসিকের সাথে অনেক দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা জড়িত বলেই মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি। মেয়েদের ঘুম, পরিপাক, বাচ্চা হওয়া সবই এর সাথে জড়িত।
পিরিয়ডের সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। আর পিরিয়ডের সময় শারীরিক কষ্ট কমাতে ডায়েটের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। এই সময় কী ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে, তার উপর শরীরের ভালো মন্দ অনেকাংশেই নির্ভর করে।
দুধ, চিজ বা দইঃ
পিরিয়ডের সময় দুধ,চিজ বা দইয়ের মতো ডেইরি প্রডাক্ট বেশি মাত্রায় খেলে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরন এতো মাত্রায় বেড়ে যায় যা শারীরিক কষ্ট ছাড়াতে সময় লাগে না। তাই এই সময় দুধ এবং দুধ থেকে বানানো খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।
জাঙ্ক ফুডঃ
জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য ভালো নয়। আর এই সময় জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য আরো ক্ষতিকারক। পিরিয়ডের সময় ফ্রায়েড খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।
লবণঃ
পিরিয়ডের সময় বেশি মাত্রায় লবণ রয়েছে এমন খাবার খেলে শরীরের অনেক ক্ষতি করে থাকে।
খালি পেটঃ
পিরিয়ডের সময় খালি পেটে একেবারেই থাকা উচিত না। এই সময় যেহেতু মাত্রাতিরিক্ত এনার্জি লস হয় তাই এই ঘাটতি পূরণে ঠিকমতো খাওয়া খুবই জরুরি।
কোল্ড ড্রিংকঃ
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় এই ধরনের পানিয় খেলে ইউরেটাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বসর পর গিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি অধিক মাত্রায় বেড়ে যায়।
শরীরচর্চাঃ
এই সময় অল্প বিস্তর শরীরচর্চা করা যেতে পারে। আর যদি পেটে এবং পিঠে ব্যাথা থাকে তাহলে একেবারেই শরীরচর্চা করা যাবে না।তাছাড়াও, এই সময় রাত জাগলে কাজ করার ক্ষমতা একেবারেই কমে যায়। সেই সাথে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আরো অনেক বেড়ে যায়। আর ঘুম না আসাতে শরীর এতোটাই ক্লান্তি হয়ে যায় যে, দৈনন্দিন কাজেও ব্যাঘাত আসতে শুরু করে দেয়। যার কারণে পিরিয়ডের সময় রাত জাগা একেবারেই চলবে না।
টক খাবারঃ
মাসিকের সময় সাধারণত কোন টক খাবার খেলে রক্তপাত কিংবা ব্যাথা বাড়ে না। টক জাতীয় খাবারের সাথে পিরিয়ডের কোন সম্পর্ক নেই।কিন্তু বিশেষ ধরনের টক খাবার খেলে ব্যাথা এবং রক্তপাত দুটোই বাড়তে পারে। সেই বিশেষ টক খাবার হচ্ছে লবণ যুক্ত টক খাবার।
কফিঃ
মাসিকের সময় উষ্ণ পানি পান করা উপকারী হলেও কফির ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম। শুধু কফি নয় ক্যাফেইন সসম্পর্কিত যেকোনো খাবার মাসিকের সময় এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা কফি রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকে এতে করে মাসিকের ব্যাথা আরো বাড়তে পারে।
পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা হলে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে ঘরোয়া উপায়ে ব্যাথা কমানো উচিত। এতে করে স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম থাকে।
মাসিকের সময় অতিরিক্ত পেট ব্যাথা করলে " হট ওয়াটার " ব্যাগে গরম পানি ভরে তলপেটে চাপ দিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে করে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে এই উপায়ে ব্যাথা অনেক কমানো সম্ভব।
ব্যাথা কমাতে আদা চা খাওয়া বেশ উপকারী। আদা প্রোস্টাগ্লান্ডিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যামোমাইল ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। ব্যাথানাশক হিসেবে এই চা বেশ উপকারী।
মৌরিঃ
এই দানাদার মসলাতে রয়েছে বিভিন্ন রকম উপাদান যা মাসিকের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। মাসিকের ব্যাথা বাড়লেই অল্প করে মুখে নিয়ে চিবিয়ে নিতে হবে অথবা পানিতে ফুটিয়ে অল্প করে চা এর মতো ফুটিয়ে পান করলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
দারুচিনিঃ
মাসিকের সময় জমাট বাধা রক্তপাতের জন্য ব্যাথা ও অস্বস্তি বেড়ে যায়। দারুচিনিতে রয়েছে আঁশ ক্যালসিয়াম, আয়রন। খানিকটা পানিতে আধা-চা চামচ দারুচিনি গুলিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর পর অল্প করে পান করলেই অনেক উপকার পাওয়া যাবে।
অর্গাজমঃ
মাসিকের সময় শারীরিক মিলন নিয়ে অনেক দ্বিধার মধ্যে থাকে মেয়েরা। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে অর্গাজম পিরিয়ডের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। কারণ এতে ভালোলাগার অনুভূতি বেড়ে যায় এতে করে রক্তচলাচলও বেড়ে যায়। ফলে মাসিকের ব্যাথা কমে আসে।
মাসের নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে কিছুটা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। মাসিকের এই সময়টাতে দেখা দেয় পুষ্টির অনেক ঘাটতিও। যার কারণে এই সময় খাবার নির্বাচনে সর্তক হতে হয়। মাসিকের সময় এমন খাবার খেতে হবে যেটা শরীরের বাড়তি পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করবে।সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে হলে নিচের খাবাগুলো অবশ্যই খেতে হবে ;
পানিঃ
মাসিকের সময় রক্তপাতের সাথে সাথে শরীর থেকে অনেক পানি বেড়িয়ে যায়। এই অভাব পূরণ করতে হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। চা, কফি, সফট্ ড্রিংস্ক এই ধরনের কোমল পানিয় দারা এই অভাব পূরণ করা যাবে না। শুধুমাএ পানি দিয়েই এই অভাব পূরণ করতে হবে।
আয়রন সমৃদ্ধ খাবারঃ
যেসব খাবারে প্রচুর আয়রন পাওয়া যায় যেমন - মাছ, মাংস, ডিম,পুঁই শাক, ডাটা শাক,ফুলকপির পাতা, ধনে পাতা, কচুশাক, তরমুজ, কালোজাম, খেজুর, পাঁকা তেতুল ও আমড়া এই জাতীয় খাবার খেতে হবে বেশি করে। এই খাবারগুলো শরীরের আয়রনের ঘাটতি অনেকটা পূরণ করবে।
মাছঃ
সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এগুলো মাসিকের সময় শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে এবং ব্যাথা কমাতেও সহায়তা করে থাকে।
ফলঃ
শরীরের আয়রনের ঠিকমতো শোষণ ও ঠিকমতো কার্যকরিতার জন্য ভিটামিন-সি জরুরি। কিছু সহজলভ্য ফল যেমন- পেয়ারা, আমলকি, লেবু, জলপাই, পাঁকা পেঁপে,জাম্বুরা,আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। মাসিকের সময় এই ফলগুলো খাওয়ার অভ্যাস রাখা অনেক জরুরি।
সবুজ-শাকসবজিঃ
সবুজ শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন যা শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাএ আয়রন ও ভিটামিন-বি এ পরিপূর্ণ নয়, বরং উচ্চমাত্রায় আশঁও আছে এতে যা কিনা হজমে সহায়তা করে থাকে। ভালোভাবে হজম হওয়া পিরিয়ডের সময় সুস্থ থাকার একটি অপরিহার্য শর্ত। তাই প্রতিবেলার খাবারে অবশ্যই সবুজ শাক-সবজি রাখতে হবে।
কলাঃ
কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস যা মাসিকের সময় শরীরের জন্য খুব জরুরি। কলা মাসিকের সময় বিষ্নন্নতা কমাতেও সহায়ক। মাসিকের সময় কলা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা অনেক জরুরি।
প্রোটিনঃ
ডাল, ডিম, মাছ, মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তাই মাসিকের সময় এই জাতীয় খাবার গুলা খাওয়া অনেক জরুরি। প্রোটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।
পিরিয়ড বা মাসিকের মতো একটা স্বাভাবিক আর প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে লজ্জা আর সংকোচনের শেষ নেই বাংলাদেশের সমাজে। গবেষকরা বলেছে, বাংলাদেশের নারী স্বাস্থ্য,বিশেষ করে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য এবং মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে নানা রকম অসুখ বিসুখও হচ্ছে।
বাংলাদেশে ২০১৪ সালে সংকার এবং আইসিডিডিআরবির চালানো ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নেই বেশির ভাগ নারীর। বাংলাদেশের মেয়েরা মাসিকের সময় মূলত দুইটা জিনিস বেশি ব্যবহার করেন, তা হচ্ছে- পুরনো কাপড় এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন। ২০১৪ সালে ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের শতকরা ৮৬ ভাগ নারী এখনো মাসিকের সময় পুরনো কাপড় বা ন্যাকড়া ব্যবহার করে। এর কারণ পুরনো কাপড় সহজলভ্য এবং এজন্য কোন খরচ গুনতে হয় না। তবে পুরনো কাপড়রের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সব সময়ই চিকিৎসক ও গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছে। মাসিকের সময় কেবলমাত্র পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতার অভাবে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডা.তিশান মাহফুজ বলেছেন, পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে পারলে কাপড় ক্ষতিকর নয়।
শারীরিক অস্বস্তির পাশাপাশি নানা রকম কুসংস্কারের কারণে প্রাচীন কাল থেকেই মাসিক মেয়েদের জন্য গোপন ও লজ্জাজনক। মাসিক হলে ঘর থেকে বের হউয়া যাবে না, শরীরে পানি লাগানো যাবে না, চুল ভেজানো যাবে না, বিছানায় শোয়া যাবে না…. এছাড়াও আরো কত কি!!! কিন্তু এ সবই ভুল ধারণা। এই সময় ঘরের কোনায় না থেকে বাহিরের আলোর সংস্পর্শে থাকা উচিত। নিয়মিত গোসল করা ও পরিষ্কার কাপড় পরা উচিত।
প্রতি মাসে নিয়ম করে এই নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রতিটি মেয়ের জীবনেই পার করতে হয়। প্রকৃতির নিয়ম মেনেই এই চক্র চলে। এটি নারীর শরীরবৃওীয় অধিকার । এটি সুস্থতার একটি অংশ। তাই মাসিক নিয়ে এখন মনে আর কোন অজ্ঞতা, দ্বিধা, লজ্জা পুষে রাখা চলবে না। বয়ঃসন্ধির আগেই পরিবারের মেয়ে শিশুটির পাশাপাশি ছেলে শিশুটিকেও মাসিক সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এভাবেই আসতে আসতে সমাজ থেকে পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে সকল ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।
laryngitis illness shock burns menstrual cramps depression atherosclerosis gastric cancer acute pain cirrhosis lung cancer contact dermatitis cold sneezing eczema gastrointestinal stromal tumor osteoporosis cancer prevention strains indigestion red eye allergies acne in old age burning spasm cancer peptic ulcer tuberculosis headache ovarian cancer renal insufficiency rough skin nutritional supplement edema lactose intolerance
0