নাভির মধ্যে ৬৭ রকম ব্যাক্টিরিয়ার উপস্থিতি টের পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা
অনেকেই আছেন যারা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নাভিতে জিভ দিয়ে থাকেন । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরে ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Fahima Akter
Friday, August 06, 2021

দুধ হচ্ছে এক ধরনের প্রাণীজ প্রোটিনজাতীয় খাবার। এটি একটি তরল পদার্থ। প্রাচীন কাল থেকেই দুধ মানুষের কাছে অনেক প্রিয় পানিয়। খাদ্যের মধ্যে উপিস্থিত প্রধান ছয়টি উপাদানই দুধের মধ্যে একসঙ্গে পাওয়া যায়।
দুধ মানুষের দৈহিক বিকাশ, মেধা বৃদ্ধি ইত্যাদি গঠন করতে সহায়তা করে থাকে। শিশুদের দৈহিক বিকাশে দুধ অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে থাকে। হাড়ের গঠন মজবুত করতে দুধের ভূমিকা অনেক। খাদ্যের ৬ টি উপাদানের মধ্যে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম দুধে বেশি পরিমানে পাওয়া যায়। হৃদরোগ ও ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধে ক্ষেত্রে দুধের কোন বিকপ্ল নেই।
দুধের মধ্যে ভালো, খারাপ এবং বিরুপ ৩ টি রূপই বিদ্যমান। যাইহোক ।
দুধে প্রচুর পরিমাণে ম্যাক্রো-পুষ্টি উপাদান থাকে । দেহের দৈহিক বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রায় ৩ থেকে ৪ শতাংশ প্রোটিন আমরা দুধ থেকে পেয়ে থাকি। প্রাচীনকালের অনেক মানুষ দুধকে আদর্শ খাদ্য হিসেবে গণ্য করেছেন। পুষ্টিগত দিক থেকে ছাগল ও গরুর দুধের চেয়ে মহিষের দুধ এগিয়ে রয়েছে। তবে আমাদের দেশের মানুষেরা স্বল্প মূল্যতার জন্য গরুর দুধকেই প্রাধান্য বেশি দিয়ে থাকে। মানুষের দেহে দুধ যেসব ক্ষেত্রে অনেক ভূমিকা রাখে সেগুলো হলো- হাড় ও দাঁতের সুরক্ষা, স্থূলতা রোধ, ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।
যে ব্যক্তি যথেস্ট ব্যায়াম করে সে দুধকে নিখুঁত পানীয় হিসাবে বেছে নিতে পারে। দুধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এটিতে ইলেক্ট্রোলাইট রয়েছে যা শক্তি ফিরে পেতে এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য অপরিহার্য। গবেষণায় দেখা গেছে যে দুধ খুব ভাল মানের প্রোটিন যা ভাল পেশী বিকাশের জন্য প্রয়োজন। সুতরাং, মানুষ ব্যায়াম করুক বা না করুক, দুধ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
আমাদের দেশের এমন অনেক মানুষ রয়েছে যাদের দুধ অথবা দুধ দিয়ে বানানো অনেক খাবারই হজম হতে সমস্যা হয়। যেসব মানুষের দুধের তৈরি খাবার খেতে সমস্যা তাদের অবশ্যই গরম দুধ খাওয়া ভালো। কেননা, গরম দুধ পাতলা হয়ে থাকে। গরম দুধে ল্যাকটোজেনের পরিমাণ কম থাকে। আর ঠান্ডা দুধ তুলনামূলক ভারী হয়ে থাকে৷ কারণ, ঠান্ডা দুধে ল্যাকটোজের পরিমাণ থাকে বেশি। এই পুষ্টিকর পানীয় সম্পর্কিত সমস্ত সুবিধা নিয়ে আলোচনা করার পর এখন দুধ এবং দুধ ভিত্তিক পণ্যগুলির সাথে সম্পর্কিত কিছু অসুবিধাগুলির দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
দুধের একটি সমস্যা হচ্ছে মানুষের মধ্যে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা। যখন মানুষ তরুণ থাকে তখন দেহে ল্যাকটেজ এনজাইম থাকে যা ল্যাকটোজ ভাঙ্গতে সাহায্য করে। মানুষ বড় হওয়ার সাথে সাথে ল্যাকটেজ উৎপাদন ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। সুতরাং, মানুষের মধ্যে অনেকেই দুধ পান করার পরে ফুলে যাওয়া অনুভব করে এবং কিছু খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে বমি বমি ভাব এবং ডায়রিয়াও হয়ে থাকে। এছাড়াও, অনেকেরই দুধ এবং দুগ্ধজাতীয় এলার্জি থাকে। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ত্বকে ফুসকুড়ি, হাঁপানি ইত্যাদি।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে দুধের ব্যবহার আসলে হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়। এর পিছনে কারণ হল যে শরীর সঠিকভাবে পাস্তুরিত দুধের থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে পারে না। গবেষণায় আরও দেখা যায় যে, পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া দুধে উপস্থিত প্রোটিনকে বিকৃত করে। অনেকের খাদ্যনালীতে ক্ষত রোগ থাকে তাদের জন্য দুধ এড়িয়ে চলাই ভালো। আবার, যাদের পরিপাকতন্তে আলসার রয়েছে তাদের জন্য দুধ না খাওয়াই ভালো।
এখন কিছু গরুকে অ্যান্টি-বায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হয় যাতে গরু সুস্থ থাকে এবং গ্রোথ হরমোন ইনজেকশন দেয় যাতে তারা বেশি দুধ উৎপাদন করে। অ্যান্টি-বায়োটিক এবং গ্রোথ হরমোন মানুষের দেহে প্রবেশ করে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে । দুধে পাওয়া গ্রোথ হরমোন কিছুটা বেশি বিপজ্জনক। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরুষ প্রাপ্তবয়স্কদের প্রস্ট্রেট ক্যান্সার এবং মহিলা প্রাপ্তবয়স্কদের ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের সাথে সরাসরি এর সংযোগ রয়েছে।
যাইহোক, প্রাচীনকালে দুধ বিলাসিতা হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলো। তখনকার যারা রাজকীয়ভাবে জীবন-যাপন করতো তারাই শুধুমাএ এই দুধ পান করতো। গরু ও ছাগলের দুধের বৈশিষ্ট্য প্রায়ই একই। তবে গরুর দুধের চেয়ে ছাগলের দুধের মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি। পুষ্টি এবং দাম দুটোই গরুর দুধের চেয়ে ছাগলের দুধের বেশি। তবে সমাজের বেশির ভাগ মানুষেরাই ছাগলের দুধের চেয়ে গরুর দুধকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। অন্যদিকে মহিষের দুধ হার্টের স্বাস্থ্য ভালো করে। মহিষের দুধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরাবরাহ করতে অনেক সহায়তা করে থাকে। গরুর দুধ ও ছাগলের দুধের চেয়ে মহিষের দুধ হাড়ের গঠন বিকাশের জন্য অধিক প্রয়োজনীয়।
সর্বোপরি, দুধ প্রতিটি মানুষের জন্যই খুবই উপকারী। দুধ শরীরের জন্য সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। হাড়ের গঠন থেকে শুরু করে, শরীরের অন্যান্য অঙ্গকে সুস্থ রাখে। অনেক মানুষ আছে যারা গরু এবং মহিষের দুধ খেলে তাদের এলার্জি জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তারা ছাগলের দুধ পান করতে পারেন। এককথায়, দুধের উপকারের কোন শেষ নেই।
SHARE THIS
Share
conjunctivitis high blood pressure skin diseases laryngitis flu sneezing strains hair loss leprosy ischemic stroke myocardial infarction kidney disease angina zinc shoulder pain eczema neck pain lung cancer cancer cornea bradycardia tension fertility atherosclerosis irritable bowel syndrome genital herpes aids contraception gastric aids cystitis common cold alzheimer's disease acute myocardial infarction shock corn
অনেকেই আছেন যারা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নাভিতে জিভ দিয়ে থাকেন । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরে ...
0 Like
এই অবাঞ্ছিত লোমের কারণে অনেককে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। বিভিন্ন বিউটি টিট্রমেন ...
2 Like
পানির সঙ্গে প্রতিদিন অন্তত একবার করে মধু মিশিয়ে পান করতে পারলে তা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ...
0 Like
কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন, আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপা ...
0 Like
বয়সের ছাপ একটা স্বাভাবিক ব্যপার। বয়স হলে এটা হবেই। তবে গবেষণায় দেখা গেছে ভাত বয়সের ছ ...
1 Like
দৈনিক ১টি আপেল খান। কোন ডাক্তার লাগবে না! দৈনিক ৫টি বাদা ...
0 Like
দ্রুত একটি আরামজনক স্থানে বসিয়ে মাথায় যে জায়গায় ব্যথা পেয়েছে সেই জায়গায় বরফ দিয়ে চেপে ধরুন ...
0 Like
লবঙ্গকে আমরা কেবল মসলা হিসাবেই চিনি, এর হরেক রকম গুণের কথা আমরা অনেকেই ঠিকঠাক জানি না। এই ...
0 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
0