নাভির মধ্যে ৬৭ রকম ব্যাক্টিরিয়ার উপস্থিতি টের পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা
অনেকেই আছেন যারা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নাভিতে জিভ দিয়ে থাকেন । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরে ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Fahima Akter
Monday, August 09, 2021

শরীরকে সবসময় সুস্থ রাখার জন্য সঠিক খাদ্যভাসের তুলনা হয় না। ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য অনেকে নানা রকম ডায়েট চার্ট অনুসরণ করে থাকে। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নিজেদেরকে মোটা বানানোর জন্য প্রচুর খাবার খেয়ে থাকে। আবার কিছু কিছু মানুষ চিকন হওয়ার জন্য খাওয়াই ছেড়ে দিয়ে থাকে। কিন্তু এগুলো করা একদমই উচিত নয়। খাদ্যের চার্ট বানানোর আগে অবশ্যই খাবারের পুষ্টির গুনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুষ্টি যুক্ত খাবারই দেহের সুন্দর বিকাশ করতে সাহায্য করে।
খাদ্যের মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিই হলো ফুড থেরাপি পদ্ধতি। অসুস্থ হলে ঔষধ খেয়েই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়, দৈহিক উচ্চতা ওজন সবই ঠিক থাকে। সেজন্য ডায়েট চার্ট বানানোর আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে সেটা আমাদের জন্য কতটা সঠিক।
মানুষেরা অনেক সময় ভেবে থাকে যে তারা স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে সেটা সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে থাকে। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাদ্য সামগ্রী যা ডায়েটিশিয়ানদের দ্বারা "স্বাস্থ্যকর" বলে বিবেচিত হয়ে থাকে সেগুলা অনেক সময় স্বাস্থ্যর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে থাকে। এই রকম কয়েকটি খাবার হলো :
১. কাঁচা সবজি : অনেক মানুষ আছে যারা দ্রুত ওজন কমানোর জন্য কিছু কিছু কাঁচা সবজি শুধু খেয়ে ফেলে, এটাও এক ধরনের ভুল। এটা খাওয়ার ফলে নিউট্রিশন থেকে শরীরকে বন্চিত হতে হয় ৷ এই ভুল মানুষ তার নিজের অজান্তেই করে ফেলে৷ কাঁচা সবজি খাওয়ার ফলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়। নিউট্রিশনের অভাব হওয়ায় শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। গর্ভধারণ করার আগেও যদি কেউ নিয়মিত কাঁচা সবজি খায় তখন গর্ভধারণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে৷
২. ডায়েট ট্যাবলেট : এমন অনেক মানুষ আছে যারা কিভাবে দ্রুত ওজন কমানো যায় এটা নিয়ে উত্তেজনার মাধ্যমে থাকে। প্রচুর পরিমাণে ক্যাফিন থাকে ডায়েট ট্যাবলেটে। যেটা খেলে খুব দ্রুত ওজন কমে যায়। দ্রুত ওজন কমানোর জন্য কিছু মানুষ হুজুগের বসে ডায়েট ট্যাবলেট খেয়ে থাকে। নিজের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য অবশ্যই এই ট্যাবলেট এড়িয়ে চলতে হবে। নয়তো গর্ভধারণে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।
৩. মিক্সড জুস : শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অনেকে খাবারের চার্টে এই মিক্সড জুস রাখে। মিক্সড শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি খাওয়ার ফলে যেমন শরীর সুস্থ থাকে তেমনি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। কিন্তু এটি যে শুধু শরীরের উপকার করে এমনটা নয়, এটার অনেক খারাপ দিকও রয়েছে। মিক্সড জুস খাওয়ার ফলে বিপাকক্রিয়ার প্রভাব পরে থাকে শরীরে। এটি বিএমআইকে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যায়, যেটা মেয়েদের গর্ভধারণের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।
৪. ভারী খাবারের বদলে তরল খাবার : অনেক মানুষই ওজন কমানোর জন্য কোন রকম ভারী খাবার খায় না। তারা মনে করে ভারী খাবার খেলেই মোটা হয়ে যাবে। এই ধারণাটা ভুল। ভারী খাবারের পাশাপাশি তরল খাবার খেতে হবে। শুধু তরল খাবার খেলেই চলবে না ৷ অতিরিক্ত তরল খাবার খাওয়ার কারণে শর্করার মাত্রা শরীরে বেশি যায় আর প্রোটিন অনেক কম যায়। এতে করে অতিরিক্ত তরল খাবার খাওয়া যাবে না।
৫. কেটোজেনিক ডায়েট : এই ডায়েট অনুসরণ করার ফলে শরীরের মাংস অনেকটা চাপ ধরে থাকে। এতে করে যারা এই ডায়েট অনুসরণ করে থাকে তারা মনে করে তাদের শরীর অনেক স্লিম হয়ে গেছে। কিন্তু এটা হীতে-বিপরীত হয়ে থাকে। মানে ভালোর চেয়ে খারাপই বেশি হয় ৷ বেশিরভাগ মহিলারাই এই অনুসরণ করতে গিয়ে গর্ভধারণের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে এই ডায়েট অনুসরণ করা মোটেই স্বাস্থ্যর জন্য ভালো না।
এগুলো ছাড়াও আরো কিছু খাদ্য সামগ্রী রয়েছে যেটা আমাদের দেহের ভালো চেয়ে ক্ষতি বেশি করে থাকে। যার কারণে ডায়েটের চার্ট বানানোর আগে অবশ্যই সব কিছুর ব্যাপারে ভালো ভাবে জেনে নিতে হবে। স্বাস্থ্য ভালো রাখা আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।যার কারণে, হুজুগের বসে সব কিছু ডায়েট চার্টে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।
৬. ডায়েট পানীয় : ডায়েট পানিয় খেলে ক্ষুধার মাত্রা আরো বেড়ে যায়। অনেকে ভাবে এটা খেলে স্লীম হওয়া যায়, কিন্তু না। এটি ক্ষুধা মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে মানুষ আরো বেশি পরিমানে খাবার খেয়ে থাকে। ডায়েট পানিয়তে চিনি ব্যবহার না করে অ্যাসপারটেম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যার ফলে মাথাব্যথা এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
৭. খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ : খাদ্য প্রক্রিয়াকরন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। শরীরের ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য খাদ্য প্রক্রিয়াকরন ঠিক করা প্রয়োজন। একটি গবেষণা দেখা গেছে যে, প্রিজারভেটিভ আমাদের হরমোনে হস্তক্ষেপ করে থাকে।
৮. ক্যানড বাদাম : ক্যানড বাদামে প্রিজারভেটিভ থাকে যা খাবারের বিপাককে ধীর করে এবং ওজন বাড়ায়।
সুস্থ জীবনযাত্রার জন্য খাবারের সাথে একটি স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে । খাবারের প্রতি সুঅভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয় আবার খাবারে অনীহাও ঠিক নয়। একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েটে পুষ্টিকর উপাদান গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যেমন - তাজা ফল বা শাকসবজি, প্রোটিন ও আমিষ জাতীয় খাবার ইত্যাদি। নিয়মিত দুধ খাওয়া যেতে পারে।
একটি স্বাস্থ্যকর দিনের শুরুতেই এক গ্লাস পানি পান করা যেতে পারে। দিনে অবশ্যই ৬-৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে। সঠিক খাদ্য তালিকার ফলেই শরীরের ফিটনেস ঠিক রাখা সম্ভব।
SHARE THIS
Share
liver transplant stroke syphilis nausea and vomiting tinnitus skin grafts kaposi's sarcoma jaundice gonorrhea dehydration in old age rhinitis dry skin urinary incontinence tia russell's viper and saw-scaled nervousness herpes simplex burns typhoid fever snake venom rickets pink eye fatigue helicobacter pylori infection dementia calcium supplement burning diphtheria sex diarrhea ascites bacterial vaginosis ebola pyelonephritis hirsutism
অনেকেই আছেন যারা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে নাভিতে জিভ দিয়ে থাকেন । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরে ...
0 Like
প্রাত্যহিক জীবনে কতো কিছুই না খাওয়া হয়। কিন্তু সবকিছু কি আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাওয়া যায়? ...
0 Like
সহবাসের সঠিক নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে আর স্বামী ঠিক তার উপরি ভাবে থেকে সহবাস করবে। মহান ...
1 Like
মাসিকের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন থেকে ...
1 Like
১. ক্যাকটাস: ক্যাকটাস গাছের পাতা সাধারণত কাটাযুক্ত হয়ে থাকে। দক্ষিন আমেরিকায় এই গাছ বেশি জ ...
0 Like
হলুদের গুণাগুণ আমরা সকলেই জানি। শরীরের মেদ কমানোর যাবতীয় গুণাগুণ হলুদে রয়েছে। তাই হলুদ দিয় ...
1 Like
এই অবাঞ্ছিত লোমের কারণে অনেককে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। বিভিন্ন বিউটি টিট্রমেন ...
2 Like
পানির সঙ্গে প্রতিদিন অন্তত একবার করে মধু মিশিয়ে পান করতে পারলে তা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ...
0 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
0