দিন দিন ডিপ্রেশন বেড়ে যাচ্ছে কি
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা ডিপ্রেশন। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, এমনকী ন ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Fahima Akter
Saturday, August 28, 2021

পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই অম্বল বা বুকজ্বালা নামের এই রোগটিতে ভোগে থাকেন। অম্বল বেশিরভাগ সময় গুরুতর হয় না ৷ পাকস্থলীর গ্যাসট্রিক গ্ল্যান্ডে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিসঃরনের ফলে এই অম্বল বা গ্যাসের সমস্যা হয়। ফার্মেসিতে নানা রকম গ্যাসের ঔষধ পাওয়া যায়। যেটা খেলে অম্বল কিছু ক্ষন পরেই কমে যায়।
কোন খাবার খাওয়ার পরে যদি খাদ্যনালী জ্বালা পোড়া করে সেটা অম্বলের কারণে করে। জ্বালা পোড়া মূলত পেটে এসিডের কারণে হয়ে থাকে। এটি পেটের উপরের অংশে এবং স্তনের হাড়ের নীচের স্থানে অস্বস্তি সৃষ্টি করে। এটি একটি অকার্যকর নিম্ন ইসোফেজিয়াল স্ফিন্টারের কারণে ঘটে। যা খাদ্যনালী এবং পেটের মধ্যে অবস্থিত।
এটা যদি মাসে ২/১ বার হয় তাহলে এটা নিয়ে চিন্তা করার কোন কারণ নেই। তবে ঘন ঘন খাবারের পর বুক জ্বালাপোড়া করলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে। অম্বল গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি) এর একটি লক্ষণ হতে পারে। যা আরও গুরুতর অবস্থা, যাকে দীর্ঘস্থায়ী অম্বলও বলা হয়। বুক জ্বালাপোড়ার সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে গলার পিছনে টক স্বাদ অনুভব করা।
১/ অ্যালকোহল
২/ কফি
৩/ অম্লীয় পানীয় যেমন-কমলার রস
৪/ চর্বিযুক্ত খাবার,
৫/ ভাজা খাবার
৬/ এমনকি মসলাযুক্ত খাবার।
এই সব খাবার ছাড়াও যদি অন্য কোন খাবার খাওয়ার ফলে বুকে জ্বালা পোড়া হয় সেগুলো কোন ধরনের খাবার খাওয়ার পর হয়েছে সেটা বের করতে হবে। সেই সাথে অই খাবারগুলো ত্যাগ করতে হবে। এতে করে নিজেরাই বুঝতে পারবো কোন খাবার গুলো আমাদের হৃদযন্ত্র নিতে পারছে আর কোন খাবারগুলো নিতে পারছে না।
অম্বলের প্রধান কারণ হলো পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালীতে প্রবেশ করতে দেয়া। মানুষ যখন খাদ্য বা তরল খাবার গিলে ফেলে তখন লোয়ার ইসোফেজিয়াল স্পিঙ্কার নামক পেশীবহুল ভালভ খাদ্যনালীর নীচের অংশে শিথিল হয়ে যায়। এতে করে খাদ্য এবং তরল খাবার পেটে প্রবেশ করতে পারে। তারপর লোয়ার ইসোফেজিয়াল স্পিঙ্কার আবার শক্ত হয়।যদি লোয়ার ইসোফেজিয়াল স্পিঙ্কার যথেষ্ট শক্তভাবে বন্ধ না হয়, অথবা এটি যদি খুব ঘন ঘন খোলে, তাহলে পেটের অ্যাসিড খাদ্যনালীতে প্রবেশ করতে পারে এবং অম্বল হতে পারে।
১/ অনেক মানুষ আছে যাদের প্রচুর খিদে পায়, কিন্তু খাওয়ার সময় অল্প খাবার খাওয়ার পরেই মনে হয় পেট ভরে গেছে এটা হলো অম্বলের লক্ষন।
২/ অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া, লবণ জাতীয় খাবার খাওয়া, শরীরের ওজন দ্রুত বেড়ে যাওয়া এগুলোর ফলেও অম্বল দেখা দেয়। এটা যে শুধু অম্বল তৈরি করে এমনটা নয়। এগুলোর ফলে মেয়েদের মাসিকেও সমস্যা দেখা দেয়।
৩/ রক্ত বমি, রক্ত আমাশা হলো অম্বলের অন্যতম একটি লক্ষন।
৪/ খাওয়ার পর পরই বুকের নিচের অংশে এবং নাভির উপরের অংশে ব্যাথা / জ্বালা পোড়া করলে বুঝতে হবে এটা অম্বলের কারণেই হচ্ছে।
৫/ দীর্ঘসময় খালি পেটে না থাকা। এতে করে দ্রুত অম্বল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১. ঝাল খাবার
২. টমেটো
৩. সাইট্রাস ফল
৪. অ্যালকোহল
৫. ক্যাফিনযুক্ত পণ্য
৬. রসুন
৭. পেঁয়াজ
৮. চকলেট
৯. কফি
১০. গোলমরিচ
১১. চর্বি এবং তেলের উচ্চ পরিমাণে খাবার
১২. মানসিক চাপ এবং ঘুমের অভাব
১৩. ধূমপান করা
অম্বল যখন হার্ট অ্যাটাকে রুপান্তিত হয় তখন পেটের উপরের অংশে এবং বুকের দেয়ালের নীচে বাম দিকে ব্যাথা হয়। যেটা বাম বাহুতে ছড়িয়ে পড়ে। যখন কোন ব্যক্তি অতিরিক্ত ঘেমে যায়, অতিরিক্ত ব্যায়াম করে এবং অনেক অস্থিরতার মধ্যে থাকে তখন হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। এন্টাসিড ব্যবহারের ফলেও যদি অম্বলের উন্নতি না হয় তাহলে কিছু লক্ষন দেখা দেয়। যেমন-
১/ বুকে জ্বালাপোড়া করে বিশেষ করে খাওয়ার পরে।
২/ শুয়ে থাকার বা মুচড়া-মুচড়ি সময় বুকের চারপাশে ব্যাথা।
৩/ রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করে বুকে ব্যাথা করে।
সহজেই পাওয়া যায় ওভার-দ্য-কাউন্টার ঔষধ যা অম্বল উপশমে সাহায্য করতে পারে তার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টাসিড, এইচ -২-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট (এইচ ২ আরএ) এবং প্রোটন পাম্প ইনহিবিটারস। এসব ঔষধেও যদি অম্বল কিছুটা না কমে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেতে হবে।
অম্বল প্রতিরোধ করতে, নিম্নলিখিত জীবনধারা পরিবর্তন সাহায্য করতে পারে:
১/ একটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা।
২/ আঁটসাঁট পোশাক পরা থেকে বিরত থাকা।
৩/ যে কোনো ফ্যাট খাবার এবং অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এটি অম্বলের জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দেয়।
৪/ অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।
৫/খাওয়ার পর পরই কমপক্ষে তিন ঘণ্টা শুয়ে থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬/ যথেষ্ট পরিমাণে ঘুমাতে হবে।
৭/ মানসিক চাপ কমাতে হবে।
৮/ বিছানা থেকে মাথা ( ছয় থেকে আট ইঞ্চি)
উঁচু করে রাখতে হবে।
অম্বল বা অ্যাসিডিটির মত সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের সাহায্যে নিয়ে এটি নিরাময় করতে হবে। চিকিৎসকের দেয়া ঔষধ গুলো সাধারণত হজমের রস পাতলা করে, পেটে হজমকে ধীর করে এবং খাদ্যনালীর আস্তরণকে শক্তিশালী করে। অ্যান্টাসিড গ্রহণ পেটের অ্যাসিডকে নিরপেক্ষ করতে, অস্বস্তি এবং ব্যাথা থেকে সহজে উপশম করতে সহায়তা করে।
যদি অম্বলের আরো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে শক্তিশালী ঔষধ যেমন, H-2 রিসেপ্টর এবং প্রোটন পাম্প ইনহিবিটারস (সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ল্যান্সোপ্রাজল) দীর্ঘ সময়ের জন্য খেতে হবে। এটি পেটের অ্যাসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করতে পারে। যদি এটি কাজ না করে, স্ক্যান এবং পরীক্ষার উপর নির্ভর করে চিকিৎসক প্রেসক্রিপশনে কিছু ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন । সেজন্য অম্বল নিরাময় করার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে ।
SHARE THIS
Share
low blood pressure nausea fractures ebola zinc gonorrhea abortion ear renal insufficiency cystitis type 2 diabetes heart disease severe allergies dehydration dermatitis anxiety children and adults rickets iron deficiency high blood pressure upper respiratory tract polycystic ovary syndrome cervicitis iron deficiency anemia anxiety disorders headache hiv infection uti down syndrome vertigo diarrhea hypotension ankylosing spondylitis insect bites stomach cancer vaginal dryness
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা ডিপ্রেশন। আমাদের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, এমনকী ন ...
1 Like
স্বাভাবিক ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ণ হলে মা ও শিশুর সুস্থতার স্বার্থে সিজার পদ্ধতিতে ডেলিভারির প্ ...
2 Like
অ্যালকোহল এমন একটা পানীয় যা দেখলেই পান করতে মন চায়। আগের দিনে অ্যালকোহল জলের বিকল্প হিসেব ...
2 Like
প্লাস্টিকের চাল,দেখুন আমরা কি খাচ্ছি টাকা দিয়ে কিনে।যারা চাল কিনে খান তারা ভাত রান্না করা ...
1 Like
পেটের চর্বি কি আপনার ঘুম হারার করে দিয়েছে? আজকাল ছোট বর অনেকেই এই সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু ...
1 Like
গত পর্বে লিখা হয়েছিল কিভাবে ক্রাঞ্চেস (Crunches) করবেন। না পরে থাকলে নিচের লিঙ্ক থেকে দেখে ...
1 Like
রোজায় চোখ বা নাকের রোগীরা যে সমস্যায় পড়েন সেটি হল রোজা রাখা অবস্থায় ড্রপ ব্যবহার করতে পারব ...
1 Like
পানির সঙ্গে প্রতিদিন অন্তত একবার করে মধু মিশিয়ে পান করতে পারলে তা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ...
0 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
0