যে সব খাবার অল্প বয়সেই আপনাকে বিপাকে ফেলতেপারে
প্রাত্যহিক জীবনে কতো কিছুই না খাওয়া হয়। কিন্তু সবকিছু কি আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাওয়া যায়? ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Fahima Akter
Tuesday, August 03, 2021

মানুষের সুস্থতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে সারাবিশ্বে গবেষকরা নানা রকম আলোচনা চালিয়া যাচ্ছে। শরীররের রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা না বাড়লে অল্প অসুস্থ হলেই মানুষ অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। সেই সাথে রোগের আক্রমণ আরো জোরালো হয়। যার কারণে চিকিৎসকরা খাদ্য তালিকায় দিকে অনেক গুরুত্ব দিতে বলেছেন।
মানুষ যে ধরনের খাবার বেশি খায় সেগুলো হলো-শর্করা, প্রোটিন এবং চর্বি জাতীয় খাবার। এগুলো অবশ্যই শরীরের প্রয়োজন রয়েছে। তবে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নির্ভর করে মূলত ভিটামিনের উপর।
করোনা ভাইরাস মহামারীতে চিকিৎসাকরা যেটার প্রতি বেশি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সেটা হলো রোগ প্রতিরোধ করা। টিকা দেওয়ার পরেও শরীরে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দেয় সেটাও শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার কারনেই। যার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে কিছু খাবারের প্রতি অবশ্যই নজর দিতে হবে। সেগুলো হচ্ছে-
লেবু : লেবুতে থাকে ভিটামিন-সি। লেবু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সাথে সাথে ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে থাকে। ভিটামিন-সি শরীরে উৎপাদিত হয় না। সাধারণত এটি খাবার থেকে তৈরি করে নিতে হয়। পাতি লেবু, কাগজি লেবু, কমলা লেবু, বাতাবি লেবু এগুলোতে ভিটামিন-সি থাকে।
ব্রকলি : ব্রকলিতে ভিটামিন-এ,সি ও ই থাকে। এটিতে ভিটামিন ও খনিক পদার্থ থাকে। সেই সাথে ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
রসুন : প্রাচীনকালে রোগ প্রতিরোধের জন্য রসুন ব্যবহার করা হতো। রসুন স্বাস্হ্যের জন্য খুবই উপকারী। রোগ প্রতিরোধ বাড়ানোর পাশাপাশি এটি হার্টের জন্য খুবই ভালো। সেই সাথে উচ্চ রসুন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
পেঁপে : পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন-সি। এটি ইমিউনিটি বাড়ানোর পাশাপাশি হজমের সমস্যা সমাধান করে থাকে সেই সাথে লিভার ভালো রাখে।
পালং শাক : এটিতে ভিটামিন-সি, বিটা ক্যারোটিন সহ অনেক উপাদান রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে।
মহামারী করোনা ভাইরাসের সময় প্রতিটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকা অনেক জরুরি। যার কারণে চিকিৎসকরা সবসময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলেই যায়। আর এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য কি খেতে হবে আর কি খাবার বাদ দিতে হবে হুজুগের কারণে সেটাও আমরা ভুলে যাই। আমরা এমন ধরনের খাবার খেয়ে ফেলি যেটা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়।
সুস্থতা বজায় রাখার জন্য যে খাবার গুলোকে আমাদের বাদ দিতে হবে, সেগুলো হচ্ছে- চিনি, লবণ, ভাজাপোড়া খাবার, চা ও কফি।
যে সমস্ত খাবারে ভিটামিন-এ, সি, ই, বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন সেলেনিয়াম ইত্যাদি পাওয়া যায় অই সমস্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। যেমন-
সবজি : লেবু, করলা, লাল বাধাকপি,ব্রোকলি, বিট, ফুলকপি, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, টমেটো, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি।
শাক : পালং শাক এবং সেই সাথে অন্যান্য সবুজ শাক।
ফল : কমলা লেবু, পেঁপে, আনার, আম, তরমুজ, জলপাই, আনারস ইত্যাদি।
মসলা : আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ ইত্যাদি।
এছাড়াও, সিমের বিচি, মটরশুটি, বিচি জাতীয় খাবার, লাল চাল, বাদাম, টক দই, সবুজ চা ইত্যাদি ধরনের খাবার।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকা স্বাস্থ্যর জন্য অবশ্যই অনেক প্রয়োজনীয়। যার কারণে চিকিৎসাবিদরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অনেক পরামর্শ দিয়ে আসছে। যেমন- পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা ও প্রতিরাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম।
ফল ও সবুজ শাক-সবজি কম খাওয়া
সঠিক কৃষিজাত খাবার,বাদাম ও বিজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- এ, সি, ই, বিটা ক্যারোটিন, জিংক ও শরীরের জন্য দরকারি অন্যান্য পুষ্টি থাকে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ফল ও সবুজ শাক-সবজি না খেলে শরীরে শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদন হয় না। উদ্ভিজ খাবারে প্রচুর ফাইবার থাকে যা শরীরের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে। এগুলোর ঘাটতির ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
কম ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যায় এবং অসুস্থ নিরাময় কারী প্রোটিন শরীরে উৎপাদন করতে পারে না। সেই সাথে কোন সংক্রমন থেকে নিরাময় পেতেও অনেক সময় লেগে যায়।
বেশি চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া
ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে হলে যেসব খাবারে চর্বি কম রয়েছে অই ধরনের খাবার বেশি খেতে হবে। চর্বি যুক্ত খাবার শরীরে শ্বেত রক্তকনিকা উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে। যার কারণে চর্বি যুক্ত খাবার বেশি পরিমানে খেলে স্বাস্থ্যর জন্য বেশি ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।
দুশ্চিন্তা করা
মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা করা স্বাস্থ্যর জন্য খুবই খারাপ। নানা রকম কাজ কর্মে উপর এগুলো খারাপ প্রভাব ফেলে সেই সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়।
বাইরে বের না হউয়া
বাহিরে বের হউয়ার অনেক উপকারীতা রয়েছে। অনেক গাছ ফাইটনসাইড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সাবস্ট্যান্স তৈরি করে। এজন্য সবুজ পরিবেশে শ্বাস নিলে ইমিউন সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। এজন্য বাহিরে বের হউয়া স্বাস্থ্যর জন্য ভালো।
আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই যেসব খাবার খায় তার মধ্যে ৬০ শতাংশ শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট। অতিরিক্ত শর্করা খাওয়ার ফলে সেটা আমাদের শরীরে গিয়ে ফ্যাট বা চর্বিতে রুপান্তরিত হয় যা আমাদের স্বাস্থ্যর জন্য খুবই খারাপ। এটির ফলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। আমাদের অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে ফল,সবুজ শাক- সবজি ও ভিটামিন জাতীয় খাবার খেতে হবে। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কেননা পানি শরীরে লসিকা তৈরি করতে সহায়তা করে থাকে। যেটা সাদা রক্ত কোষ ও অন্যান্য প্রতিরোধ ক্ষমতা কোষ বহন করে।
পুষ্টিবিজ্ঞানিরা ও চিকিৎসক বলেছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যদি শক্তিশালী না হয়ে তাহলে অল্প অসুস্থ হওয়া মানুষও খুব সহজেই দুর্বল হয়, সেই সাথে রোগের আক্রমণ হউয়ার প্রবণতা আরো বেড়ে যায়।
SHARE THIS
Share
cough rheumatoid arthritis glaucoma coronary artery cervical cancer dizziness wounds sleep disorder severe eczema epilepsy plaque psoriasis braces tuberculosis acne sore throat nutrition rashes back pain hives breast warts kidney stones bones and joints conjunctivitis dandruff irritable bowel syndrome strains bacterial vaginosis adults and children burning weight loss calcium supplement stiff neck runny nose old age fever
প্রাত্যহিক জীবনে কতো কিছুই না খাওয়া হয়। কিন্তু সবকিছু কি আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাওয়া যায়? ...
0 Like
Medicines have become a part of our life because every one of us needs them at least once ...
1 Like
১. ক্যাকটাস: ক্যাকটাস গাছের পাতা সাধারণত কাটাযুক্ত হয়ে থাকে। দক্ষিন আমেরিকায় এই গাছ বেশি জ ...
0 Like
বাজারে যেইসব কানের ড্রপ পাউয়া যায় ওইগুলার একটা কমন উপাদান হচ্ছে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। কিন ...
2 Like
১) মূত্রাশয় সময়মত খালি না করা২) পানি পান না করা৩) লবন বেশি খাওয়া৪) সাধারন সংক্রমনগুলি ঠিকভ ...
1 Like
এডিস মশা বিশ্বের অনেক বিপদজনক প্রাণীর মধ্যে একটি। ডেঙ্গু এবং পীতজ্বর এডিস মশার কামড়ের মাধ্ ...
0 Like
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই ওজন কমানো নিয়ে অনেক বেশি চিন্তার মধ্যে থাকে। ভুল খাদ্যভাসের জন ...
1 Like
গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস সহবাস থেকে বিরত থাকাই ভালো । দ্বিতীয় তিনমাসে দম্পতির ইচ্ছে মতো স ...
0 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
0