Never Take Medicine Without Consulting The Doctor.
Medicines have become a part of our life because every one of us needs them at least once ...
Health experience | Write here | Write and share your health experience to help community.
Fahima Akter
Tuesday, August 10, 2021

চোখ আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ তাই যেসব কাজ করলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্খা থাকে সেই কাজ গুলো সীমিত ভাবে করতে হবে। চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ভিটামিনের তুলনা হয়। ভিটামিন-এ চোখের জন্য খুবই উপকারী। এক সময় আমাদের দেশের অনেক শিশু ভিটামিনের অভাবে অন্ধ হয়ে যেতো। এই রকম অন্ধ হয়ে যাওয়ার সংখ্যাও কম নয়, প্রায় ৩০ হাজারের মতো।
অধিকাংশ মানুষই দিনের বেশির ভাগ সময়ই কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এসবের দিকে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকে। এর ফলে চোখে নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। চোখ ব্যাথা করে, চোখ দিয়ে পানি পরে, চোখ লাল হয়ে যায়। যার কারণে চোখে একটা সময় ক্লান্তিকর ভাব চলে আসে। কাজের মাঝখানে হাতের তালু দিয়ে চোখে ধরে রাখতে হবে, তবে চোখে চাপ দেওয়া যাবে না। এই ভাবে কয়েক মিনিট চোখ ধরে রাখলে চোখের স্ট্রেস কমবে এবং ক্লান্তি দূর হবে৷ সেইসাথে, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্খা কম থাকে।
কাজের মাঝখানে অবশ্যই চোখে পলক ফেলতে হবে। বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষই যেহেতু কম্পিউটারের কাজে ব্যস্ত থাকে। তারা একধ্যানে কম্পিউটার/ মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকে। পলক ফেলতেই মনে থাকে না তাদের ।৷ কিন্তু কাজের মাঝখানে চোখের পলক না ফেললে চোখের উপর অনেক চাপ পরে থাকে। চিকিৎসকরা বলেছেন যে, কাজের মাঝখানে প্রতি ৫ সেকেন্ড পর পর পলক ফেলতে হবে। এই রকম ভাবে পলক ফেললে চোখের ক্লান্তি তো দূর হয় সেই সাথে ড্রাই আইয়ের সমস্যা থাকলে সেটাও ভালো হয়ে যায়। অর্থ্যাৎ কাজের মাঝখানে পলক ফেলা চোখের জন্য খুবই উপকার।
একটি বাটিতে হালকা কুসুম গরম পানি নিতে হবে। তারপর একটা তোয়ালে পানিতে ডুবিয়ে সেটা দিয়ে ২ চোখে ছেক দিতে হবে। এই ভাবে দিনের কিছুটা সময় কাজের ফাকে ফাকে ছেক দিলে চোখের যে ক্লান্তিকর ভাব সেটা দূর হবে। সেই সাথে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও সহায়তা করবে।
চোখের আইরিশকে বলের মতো করে ঘোরাতে হবে ৷ অর্থাৎ একবার ঘরের উপরের দিকে তাকাতে হবে এবং আরেকবার ঘরের বিপরীত দিকে তাকাতে হবে। বয়সের সাথে সাথে প্রতিটি মানুষেরই দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। এমনটা করলে দৃষ্টিশক্তি অনেক দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২-৩ বার এমনটা করতে হবে এবং খুব ধীর গতিতে করতে হবে।
চোখের পেশির ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ফোকাস শিফটং এক্সারসাইজ করতে হবে। মানে একবার চোখের কাছে রয়েছে এমন কোন কিছুর দিকে ৫ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে হবে, আবার দূরে রয়েছে এমন কিছুর দিকে ৫ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে হবে। এই রকম করলে চোখের কর্মক্ষমতা অনেক বেড়ে যায় সেই সাথে দৃষ্টিশক্তিও বেড়ে যায়।
ল্যাপটপে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা, স্ক্রিনের ব্যবহার বৃদ্ধি, দুর্বল খাদ্য আমাদের দৃষ্টিকে খারাপভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বয়সের সাথে সাথে, আমাদের দৃষ্টিশক্তি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্করা তাদের 30 বা 40 এর মাঝামাঝি সময়ে দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভোগে থাকে। এমনকি অল্প বয়সের অনেক লোকের দৃষ্টি সমস্যা দেখা দেয় এবং চশমা ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। মহামারী চলাকালীন ডিজিটাল স্ক্রিন এবং ভিডিও গেমসের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা সমস্যাগুলিকে আরও খারাপ করে তুলেছে। যদিও এর জন্য চোখের যত্ন নেওয়া এবং নিয়মিত চোখের চেক-আপ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিটি মানুষের জীবনধারা সংশোধন করার জন্য সবচেয়ে ভাল জিনিসগুলির মধ্যে একটি হল একটি ভাল মানের ডায়েট। ভিটামিন, খনিজ এবং পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য নিয়ে প্রায় অনেকেই নানা রকম সমস্যা অতিক্রম করে থাকে। বিশেষ কিছু ভিটামিন, যেমন ভিটামিন এ, সি, ই এবং খনিজ পদার্থ যেমন জিঙ্ক, ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিডে অনেক ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা সক্রিয়ভাবে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করে থাকে। অর্থাৎ চোখের অংশকে রক্ষা করে, যেটার সাহায্য মানুষ স্পষ্ট দেখতে পারে। বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্কদের চোখের সুরক্ষার জন্য এই শক্তিশালী পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ রঙিন, পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল, শাকসবজি, সামুদ্রিক খাবার এবং ভেষজ প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের মতো সময়ের সাথে সাথে এগুলো দৃষ্টিকে প্রভাবিত করতে পারে। কিছু শর্ত, যেমন অপটিক স্নায়ুর প্রদাহ সৃষ্টি করে সেগুলি দৃষ্টি সমস্যা করতে পারে। অতএব, সঠিক সময়ে এই সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা করা এবং অতিরিক্ত জটিলতাগুলি রোধ করা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ন।
কম্পিউটারে কাজ করার সময় অবশ্যই প্রতিরক্ষামূলক চশমা পরা গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল ডিভাইস এবং স্ক্রিন প্রচুর নীল আলো নিঃসরণ করে যা মানুষের চোখের জন্য ক্ষতিকর। স্ক্রিনের দিকে ক্রমাগত তাকিয়ে থাকলেও চোখের উপর অনেক চাপ পরে । চশমা ব্যবহারের ফলে চোখের স্বাস্থ্যকে অনেক অবনতি থেকে রক্ষা করে। সেইসাথে যখন মানুষ রোদে বের হয় তখন সানগ্লাস ব্যবহার করা উচিত । এই ভাবে চোখের ক্ষতি রোধ করা যেতে পারে।
সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে খাদ্যের দিকে। ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার চোখের জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন-এ এর জন্য মানুষ রাতকানা রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারে। একজন গর্ভবতী মায়ের যদি ভিটামিন-এ এর ঘাটতি থেকে থাকে তাহলে, সেই নবজাতকেরও চোখে কিছুটা সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেসব খাবারে ভিটামিন-এ পাওয়া যায়। যেমন- মলা মাছ, কলিজা, ডিম, মিষ্টিকুমড়া, পালংশাক, বাধাকপি, গাজর, ক্যাপসিকাম, লেটুসপাতা, টমেটো, সবুজ-শাক সবজি ইত্যাদি৷
মলা মাছে ২০০০ আইইউ ভিটামিন-এ পাওয়া যায়। বয়স্ক থেকে শুরু করে ছোট বাচ্চাদের জন্যও ভিটামিন-এ চোখের জন্য অনেক উপকারী। ভিটামিন-এ ক্যারোটিন হিসেবে কাজ করে থাকে। এছাড়াও যদি চোখে ছানি পড়ে থাকে সেটা রোধ করতে হলে অবশ্যই ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার খেতে হবে। অঙ্কুরিত ডালে রয়েছে ভিটামিন-এ ও সি দুটোই। এই ডাল চোখের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও ছোট মাছে ফ্যাটি এসিড বিদ্যমান থাকে যেটা চোখের রেটিনার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। চোখ ছাড়া যেহেতু কোন কাজই সঠিক ভাবে করা যায় না। সেজন্য চোখ সম্পর্কে অবশ্যই সচেতন থাকা সবার জন্যই অনেক জরুরি।
SHARE THIS
Share
asthma breast pyelonephritis tuberculosis fibromyalgia hepatic encephalopathy emergency contraception liver transplant pancreatic ischemic stroke tic disorders high cholesterol snake venom lichen planus down syndrome first peritonitis fever wounds herpes simplex skin aggression lymphomas sex herpes zoster migraine red eye pregnancy in old age hyperuricemia acute myocardial infarction lubrication psoriasis mumps pid sweating
Medicines have become a part of our life because every one of us needs them at least once ...
1 Like
১. ক্যাকটাস: ক্যাকটাস গাছের পাতা সাধারণত কাটাযুক্ত হয়ে থাকে। দক্ষিন আমেরিকায় এই গাছ বেশি জ ...
0 Like
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই ওজন কমানো নিয়ে অনেক বেশি চিন্তার মধ্যে থাকে। ভুল খাদ্যভাসের জন ...
1 Like
দুঃস্বপ্ন দেখার ফলে একেক মানুষের উপর একেক প্রভাব পরে। অনেকে রাতের বেলা দুঃস্বপ্ন দেখে ভয়ে ...
0 Like
প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস বা জোগার হিল হলো পায়ের গোড়ালির ব্যাথার অন্যতম সাধারণ কারণ। এটি পুরু ...
0 Like
লাউ একটি সাধারণ সবজি কিন্তু এটা ডায়বেটিস, জন্টিস ও কিডনির সমস্যা অনেক উপকারী। যারা ঘুরতে য ...
0 Like
গবেষণায় দেখা গেছে, অর্জুন ছাল হৃদরোগ ছাড়াও আর বেশ কিছু জটিল রোগের উপশম করে। যেমন...১। অর্জ ...
0 Like
মন নিয়ে সঠিক সংজ্ঞা এখনো পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি। মন অনেক জটিল একটা জিনিস। মন এমন একটা বিষ ...
0 Like
New to Welfarebd? Sign up
Subscribe to our newsletter & stay updated
1